গড়িয়াঃ গড়িয়ার মহামায়াতলার একটি আবাসনকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ওই আবাসনের একটি ফ্ল্যাট তাঁর নামে লিখে দেওয়ার দাবি নিয়ে নিরাপত্তারক্ষীকে সঙ্গে করে সেখানে হাজির হন শান্তি দাস নামে ওই আধিকারিক। অতীতেও তাঁকে ঘিরে একাধিক বিতর্কের অভিযোগ রয়েছে।
আবাসনের কর্মীরা তাঁর প্রবেশ এবং উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, এরপরই ক্ষমতার আস্ফালন দেখিয়ে আবাসনের দুই কর্মী অর্ক জানা ও অভিজিৎ প্রধানকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ ডেকে তাঁদের নরেন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ আরও গুরুতর। আক্রান্তদের দাবি, থানার মধ্যেই তাঁদের লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। আচমকা এই পরিস্থিতিতে দুই কর্মী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সূত্রের খবর, উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ কর্মীও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বিরত করার চেষ্টা করেছিলেন।

ঘটনার সময় নরেন্দ্রপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রসেনজিৎ বিষ্ণু থানায় উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর আক্রান্তদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমটো) মামলা রুজু করেছে। পাশাপাশি আক্রান্ত দুই কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকেও নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আবাসনের সিসিটিভি ফুটেজেও ওই পুলিশ আধিকারিকের প্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়ে শান্তিদেবীর সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কিছুই জানান নি ৷ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
