সোনারপুরঃ রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সোনালী রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আয়বহির্ভূত সম্পত্তি এবং ক্লাব দখলের অভিযোগ তুলে এলাকায় পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। পরিস্থিতি সামাল দিতে সোনারপুর থানার পুলিশের পাশাপাশি এলাকায় মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লার বাড়িতে NIA, ভোর থেকে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, কাউন্সিলার এলাকার উন্নয়নে কোনও কাজ করেননি। বারবার রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পোস্টারে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, “কোনও কাজ না করেই এত টাকা, পয়সা, গাড়ি-বাড়ি কোথা থেকে এল?” পাশাপাশি ক্লাবের নামে টাকা তোলা এবং জোর করে একটি স্থানীয় ক্লাব দখল করে রাখার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা শ্রীতম মজুমদার দাবি করেন, “দুর্নীতির টাকা ভোগ করা যাবে না। ক্লাব জোর করে দখল করে তোলা আদায় করা হয়েছে। নতুন বাড়ি তৈরি হোক বা ব্যবসা, সবার কাছ থেকেই টাকা তোলা হত।” অন্যদিকে মিনতি মণ্ডল অভিযোগ করেন, “কাউন্সিলার কোনও কাজ করেননি। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি, এলাকার মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।” পোস্টারে আরও দাবি করা হয়েছে, কাউন্সিলারের আয়বহির্ভূত সম্পত্তি, বিলাসবহুল গাড়ি ও জীবনযাপনের উৎস নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলার সোনালী রায়। তাঁর দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। শ্রীতম মজুমদার ও সৃঞ্জয় বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সোনালী রায়ের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ওই ব্যক্তিরা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। গোটা বিষয়টি তিনি বিধায়ক Rupa Ganguly-কেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
