বিশ্বজিতের শোকার্ত বাবা ও মা
চম্পাহাটিঃ খাওয়ার নেশাই কাল হল পিয়ালীর বিশ্বজিতের। পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো-মন্দ খাওয়ার লোভেই বাজি কারখানায় কাজ নিয়েছিল সে। শনিবার চম্পাহাটির হাড়ালে বাজি বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয় ১৫ বছরের বিশ্বজিৎ মণ্ডল। রবিবার গভীর রাতে পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

বিশ্বজিতের এক বোন রয়েছে। তার মা লক্ষ্মী মণ্ডল কান্নাভেজা গলায় বলেন, বিশ্বজিত খেতে খুব ভালোবাসত। উপার্জন করলেও সংসারে কোনও টাকা দিত না, নিজের পেছনেই সব খরচ করত সে। আগামী ২০ জানুয়ারি ছিল বিশ্বজিতের জন্মদিন। তার আগেই ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পরিবার। এই ঘটনায় গোটা পরিবার ও আত্মীয়স্বজন ভেঙে পড়েছেন। চম্পাহাটি পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিতের বাড়িতে পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্যরা যান। বাজি কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকেও একটি প্রতিনিধি দল এসে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
ময়নাতদন্তের পর আজই বিশ্বজিতের দেহ পরিবারের হাতে পাওয়ার কথা। জন্মদিনের ঠিক আগে ছেলের এই অকাল প্রয়াণ পরিবারকে গভীর শোকে ডুবিয়ে দিয়েছে।
