সোনারপুরঃ বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে— সরাসরি না বললেও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন রাজন্যা হালদার। তাঁর কথায়, “বিজেপিতে যতক্ষণ না যোগ দিচ্ছি, ততক্ষণ কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আমি আর তৃণমূল নই, আমি সাধারণ মানুষ। বাসে-ট্রেনে-চাকরি পরীক্ষার লাইনে যাঁরা দাঁড়িয়ে থাকেন, সেই গণদেবতার মতো আমিও।” তৃণমূলের প্রতি কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।
আরও খবরঃ নরেন্দ্রপুরে পশুকেন্দ্রের বিরুদ্ধে পোষ্য কুকুরকে বিষ খাইয়ে মারার অভিযোগ, চাঞ্চল্য এলাকায়
রাজন্যার স্বামী প্রান্তিক চক্রবর্তী জানান, সবটাই এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। যোগদান না হওয়া পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত নয়। তবে চেতনা ও ভাবনার পরিবর্তন হয়েছে বলেই ইঙ্গিত দেন তিনি। দলবদল প্রসঙ্গে প্রান্তিক বলেন, “এটাকে দল পরিবর্তন হিসেবে দেখা ঠিক নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একসময় কংগ্রেস ছেড়ে বাংলার স্বার্থে তৃণমূল গড়ে তুলেছিলেন। গণতন্ত্রে গণদেবতাই শেষ কথা বলে।”
তাঁদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল ছাড়েননি— বরং তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। চিঠি দিলেও তা বিবেচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র নেতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া রাজন্যা ও প্রান্তিক— ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে বক্তৃতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরে আরজিকর আবহে তৈরি একটি টেলিফিল্মকে ঘিরে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে দু’জনের। শেষে তাঁদের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা জোরালো হয়— আর সেই নিয়েই মুখ খুললেন রাজন্যা ও প্রান্তিক।
